স্বনামধন্য জুয়েলারী শপের সোনায় ভেজাল ধরা পড়লো।
আল্লাহর ওয়াস্তে শক্তিশালী ম্যাগনেট কিনবেন। ফুটপাতেই বিক্রি হয় বুলেট আকৃতির। বালিতে ফেলে অবসর আবাে লোহার গুড়া বের করে কাগজে রেখে নিচ থেকে এদের নাচাতে পারবেন।
আর জুয়েলারি শপে গেলে বিভিন্ন জায়গায় ছোঁয়া দিয়ে সোনা আসল কিনা টেস্ট করে আনতে পারবেন। বিটিভিতে ছোটবেলা যাদের এ্যাড দেখে বড় হইছি তাদের একজনের কাছে সোনার বালা কিনে ঠকেছে একজন কাস্টমার।
প্রায় আট বছর আগে হাতের বালা কেনেন ২১ ক্যারেটের। তিনি ভেঙ্গে বানাতে দিয়েছেন, ওরা দেখতে পায় ভেতরে লোহা। উনার কাছে ক্যাশমেমো থাকায় সেই শাখায় যোগাযোগ করলে তারা ক্ষমা চায়। এবং তদন্তে জানা যায়, তারা উৎসব উপলক্ষে ছোট জুয়েলারী হায়ার করে কাজ করান। ডেলিভারীর সময় হয়ত ভুলক্রমে এরকম সেট চলে এসেছে।
আমার প্রশ্ন হলো QC চেকার কই ছিল? তার তো প্রতিটা সেট চেক করে আনার কথা। অনেক জুয়েলারীই বাইরে থেকে কাজ করিয়ে আনে। আমার কাছে স্ক্যাম মনে হলো। আবার দুর্ঘটনাও হতে পারে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঘটনাটা প্রকাশ করা হলো। আপনারা ম্যাগনেট রাখবেন। সোনায় যেসব ধাতু মিশ্রণ করা হয় সেসব ম্যাগনেট আকর্ষণ করে না। শুধু লোহা দিয়ে ওজন বাড়ালে এমন হয়।
কোন মন্তব্য নেই