এসব নকল সোনা টেস্টে ধরা পরে না। নিখুঁত প্রতারণা

 গোল্ড ক্রয় বিক্রয়ের বিভিন্ন গ্রুপ রয়েছে। সেসব গ্রুপে আরবের সোনা, ইউরোপ-আমেরিকা থেকে আনা হয়েছে, এখন বাজারের চেয়ে কম দামে বিক্রি করবে। জরুরী টাকা দরকার। সোনার সার্টিফিকেট রয়েছে। সব প্রমাণ দেখাবে। কিন্তু বড়সর জুয়েলারী শপ থেকে যদি সেই বার চেক না করেন, ল্যাব টেস্ট না করালে ৯৫% প্রতারণার শিকার হতে পারেন।







১. যদি গোল্ডবার কিনতে চান, বড় জুয়েলারীতে নিয়ে ভেঙ্গে দেখে নিন। নয়ত ভেতরে ইস্পাতের পাত থাকতে পারে।
২. গোল্ড কয়েনের উপরিভাগে সোনার পানির প্রলেপ দিয়ে স্ক্যাম করা হচ্ছে। এসিড টেস্ট ও খালি চোখে কোনদিন ধরা সম্ভব না।
৩. গয়নার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।
সেকেন্ড হ্যান্ড গোল্ড কেনা মানে ৯৫% টেনশন এড করা। ১০-১৫% লাভের আশায় ঝুঁকি নিবেন না।
৫০-১০০ গ্রামের গোল্ডবারের ভেতর অন্যকিছু থাকতে পারে। এত নিখুঁত প্রতারণা হয় যে, অনেক সময় মেশিন ডিটেক্ট করতে পারে না। এইসব গোল্ড জুয়েলারীতে নিয়ে মাঝ থেকে কেটে নিন। যে ডিসকাউন্ট বিক্রেতা আপনাকে দিবে তাতে হয়ত আরো কয়েক শতাংশ লাভ কমবে কিন্তু আপনি নিরাপদ থাকবেন। এসব কেবল সেকেন্ড হ্যান্ড গোল্ডের জন্য বিবেচ্য।
কিছু ছবিযুক্ত করা হলো। দেখুন, একদম ভেতরে অন্য ধাতু রয়েছে। কেটে ফেলার কারণে ধরা পড়েছে।
বিদেশ থেকে ২৪ ক্যারেট নিজে বা ঘনিষ্ঠজনের মাধ্যমে গোল্ড সংগ্রহ করতে পারেন। দেশে বসে বিদেশ ফেরত লোকদের নিকট থেকে ক্রয় থেকে বিরত থাকুন। ২২ ক্যারেটের গোল্ড কয়েনের দাম কিন্তু কম নয়।
বিনিয়োগের জন্য সোনা রূপা ক্রয় করতেই পারেন কিন্তু ভুল যেনো না হয়।
বিদেশ থেকে "মালাবার" গোল্ড প্রচুর নকল হয়। ক্রয়ের সময় সাবধান। বিদেশ থেকে গোল্ড কিনবেন শহরের সবচেয়ে বড় শোরুম থেকে। যাবতীয় পেপার্স চেক করে ও মেশিন টেস্টিং করে।
বার বা কয়েনের যত বেশি ওজন তত বেশি সতর্কতা চাই।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.