সোনা কেনার আগে এটা না জানলে বিপদ নিশ্চিত ১০০% - অবশ্যই জানতে হবে

 এই বিষয়গুলি জানা থাকলেই গোল্ড কিনতে গেলে আর ঠকার ভয় নেই ।



১ ভরি - ১৬ আনা - ৯৬ রতি - ৯৬০ পয়েন্ট - ১১.৬৬৪ গ্রাম
১ আনা - ৬ রতি - ৬০ পয়েন্ট - ০.৭২৯ গ্রাম
১ রতি - ১০ পয়েন্ট - ০.১২১৫ গ্রাম
১ পয়েন্ট - ০.০১২১৫ গ্রাম
সোনা দুইভাবে পরিমাপ করা হয় গ্রাম এবং আনা / রতি । সোনার দামের হিসাব কিভাবে করবেন ?
ধরা যাক, প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ টাকা । হিসাবের সুবিধার জন্য রাউন্ড ফিগার গণনা করছি ।
১ ভরি - ১৬ আনা / ৯৬ রতি - ১১.৬৬৪ গ্রাম
ওজনের হিসাবঃ সোনার ওজন * (২ লাখ টাকা / ১১.৬৬৪ গ্রাম)
১ আনা - ৬ রতি - ০.৭২৯ গ্রাম
ওজনের হিসাবঃ সোনার ওজন * (২ লাখ টাকা / ১১.৬৬৪ গ্রাম/১৬)
১ রতি - ১০ পয়েন্ট - ০.১২১৫ গ্রাম
ওজনের হিসাবঃ সোনার ওজন * (২ লাখ টাকা / ১১.৬৬৪ গ্রাম/৯৬)
উল্লেখ্য যে, আনার হিসাবে ১৬ এবং রতির হিসাবে ৯৬ দিয়ে ভাগ হয়েছে । এসব গাণিতিক পয়েন্টগুলি মুখস্ত রাখবেন ।
বাজারে যেহেতু ১ গ্রামের নিচে সোনার কয়েন বিক্রি হয় না তাই দেখা যাক ১ গ্রাম সোনার দাম কত হয় ?
মনে করি, ১ ভরি সোনার দাম ২ লাখ টাকা
১ ভরির ওজন - ১১.৬৬৪ গ্রাম
১ গ্রাম - ২ লাখ টাকা / ১১.৬৬৪ গ্রাম = ১৭,১৪৭ টাকা প্রায়
যে জিনিসগুলি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে
১. কেনার সময় খেয়াল করুন কত ক্যারেট চাচ্ছেন ও আপনাকে কত ক্যারেট প্রদান করা হচ্ছে এবং এটা পরীক্ষা করে নিন ।
২. গয়না কেনার সময় মজুরি বা মেকিং চার্জ, ভ্যাটের পরিমাণ ও অন্যান্য গোপন খরচ থাকলে জেনে নিশ্চিত হউন । ভ্যাট নরমালি ৫% ধরা হয় ।
৩. হলমার্ক ও সার্টিফিকেট চেক করে নিন । আসল সোনা কেনার সময় এই দুইটার ব্যাপারে কোন এক্সকিউজ চলবে না । অন্যথায় বিক্রি করতে পারবেন না বা ঝামেলায় পড়বেন ।
৪. অবশ্যই নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকেই সোনার কয়েন কিনুন যদি বিনিয়োগ উদ্দেশ্য থাকে । অন্যথায় আপনার পছন্দের যেকোনো দোকান থেকে গহনা কিনতে পারেন ।
এগুলি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে আপনার মস্তিস্ক বিকৃতি ব্যতীত কেউ আপনাকে ঠকাতে পারবে না ।
অবশ্যই শেয়ার করুন এবং সেভ করে রাখুন । ধন্যবাদ

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.