সোনায় বিনিয়োগের তিনটা সময় - কোনটা লাভজনক?
সোনা কিনে ঠকছেন নাকি আসল জায়গায় ইনভেস্ট দিছেন — এটা অনেকেই জানে না ভাই
আমি নিজেও ৮৫ হাজার টাকা ভরির সময় একবার অফসিজনে ফ্রেন্ডকে নিয়ে গিয়ে ভাবলাম, “চলো একটু সোনা কিনি, দাম কমই তো! (তখন জলের মত আমার কাছে ডলার আসতো, তাই কমই লাগতো সবকিছু)
কিন্তু দোকানদার এমন কায়দায় মেকিং চার্জ বাড়াইল, মনে হইল আমি যেন সোনার দোকান না, হাসপাতালে গিসিলাম 
যদি আগে থেকে কেনার অভ্যাস না থাকতো তাহলে বুঝতাম না যে, আমাকে মুরগি বানানো হচ্ছে!
গোল্ডে ইনভেস্ট করার সময় ৩ ভাগে বিভক্ত -
১. উৎসবের সময় (এইটা মোস্ট পিক টাইম)
এই সময়ে সবাই হুজুগে কিনে — বিয়ে, ঈদ, দিওয়ালি, পূজা, বোনফায়ার...
দাম থাকে আগুন কিন্তু demand এত বেশি যে, পরের মাসেই দাম পড়ে যায়।
তাই উৎসবে সোনা গলায় রাখার জন্য ভালো, ইনভেস্টের জন্য না! বারবার কমেন্টে বলছিলাম সামনে দিওয়ালি, দাম কমবে। অনেকেই কথা শুনেছেন, অনেকে বুঝেন নাই।
২. অফসিজন (জুয়েলারিতে দোকানরা হা করে বসে থাকে, যেমন পাক্কা সামারের টাইম)
এই সময় দোকানদাররা খালি চেয়ার গুনে বসে।
তখন দরাদরি করে ভালো দামে কিনতে পারেন।
এই সময়েই যদি একটু ঠান্ডা মাথায় কিনেন, বুম হইতে পারে পরের সিজনে 
৩. ইনফ্লেশন টাইম ( ডলার দুর্বল থাকে )
এইটা আসল টাইম।
যখন বাজারে ভয়, ডলার দুর্বল, সবাই বাঁচার রাস্তা খুঁজতেছে — তখন সোনার দাম রকেটের মতো যায়!
যারা এই টাইমে আগেই ইনভেস্ট করে রাখে, তারাই হিরো হয় পরে! কিভাবে বুঝবেন এরকম পরিস্থিতি? টুইটারে বড় অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকিং নিউজে চোখ রাখলেই বুঝবেন।
টিপ: সামারে যখন প্রচন্ড গরম থাকে, মার্কেটে লোকজন যায় কম, দুপুর বেলা, সকালে প্রথম দিকে, এরকম সময়ে ব্যবসায়ীরা কাস্টমারকে সহজে ছাড়ে না। তাছাড়া, ঢাকায় সোনা-রূপার দাম বিভাগীয় জেলা শহরের চেয়ে ১০-১৫ হাজার বেশি থাকে। ঢাকায় যখন ২১৩ ছিল, মানিকগঞ্জ সিংগাইরে ১৯৫ করে গেছে। চট্টগ্রামেও এরকম কম থাকে ।
এভাবেই টাইম ও প্লেস স্ক্যানিং করে প্রফিট জেনারেট করা লাগে।
কোন মন্তব্য নেই