নিয়মিত গোল্ড ব্যবহারে শরীরে কি কি বড় রোগ হয়?

 - যারা হাইপার সেনসিটিভ তাদের এলার্জি বা র্যাশ হতে পারে। এটা খুব কমন সমস্যা।

- ব্যবহারের অংশের ত্বক কালো হয়।
- টক্সিক মেটাল রিস্ক থাকে।
- দীর্ঘমেয়াদী রোগ না হলেও স্কিন জটিলতা তৈরী করে।
উক্ত সবকিছুই ইমিটেশন গোল্ডের প্রভাবে ঘটে। এছাড়া, ১৮ বা ২১ ক্যারেটের গোল্ডেও হতে পারে যদি সিলভার, নিকেল, কপার মিশ্রিত থাকে। তবে এসব সমস্যা আনকমন।
আপনি যদি হাইপার সেনসিটিভ স্কিনধারী হন তাহলে ২২ ক্যারেটের নিচের গ্রেডের সোনা ব্যবহার কম করবেন।
ক্যান্সার, রক্তে সমস্যা, হরমোনাল ডিজিজ এসব ঘটে না। কিছু ভুইফোঁড় ম্যাগাজিন ভিউ এর আশায় এসব প্রচারণা করে বেড়ায়।
বরং খাঁটি সোনা অনেক সময় উপকারী। এলার্জি কম হয় (গণকারে প্রমাণিত হয়নি) বহু দেশে চিকিৎসায় Gold Nanoparticles ব্যবহার পর্যন্ত হয়।
তাই আপুরা নিশ্চিন্তে গোল্ড ব্যবহার করতে পারেন। তবে ইমিটেশন গোল্ড পরিহার করুন, এসব স্কিন ডিজিজ ছড়ায় যা শুরুতে উল্লেখ করেছি। ধন্যবাদ!

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.