মেশিন ছাড়া সোনার ওজন করবেন কিভাবে?

 ডিজিটাল মেশিন যখন ছিল না তখন নানান কায়দায় সোনা ওজন করা হতো। আমরা মজা করে দাড়িপাল্লা শব্দটা ব্যবহার করি। যা চোখের আন্দাজে ওজন করা হতো। এরপর নানান পদ্ধতি হাজির হয়। এই পদ্ধতিটা একটু প্যারাময় তবে নিঁখুত হিসাবের কথা বলা হয়েছে। চলুন জানা যাক -

১. একটা স্বচ্ছ পানির গ্লাস।
২. সুতো
৩. মিলি ড্র করা সিরিঞ্জ
প্রথমে গ্লাসের ৯০% পানি দ্বারা পূর্ণ করে নিতে হবে। তারপর সিরিঞ্জ ধরে দেখে নিতে হবে গ্লাসে কত মিলি পানি রয়েছে। এরপর সেই রিং, কয়েন, চেইনকে সুতোতে বেঁধে গ্লাসে প্রবেশ করাতে হবে। গোল্ড যেন গ্লাসের বডি টাচ না করে। একদম মাঝামাঝি ডুবিয়ে দিতে হবে। পুরো অলংকারটা পানির নিচে থাকবে তবে গ্লাসের নিচে ছেড়ে দেয়া যাবে না। সুতো ধরে রাখতে হবে।
ধরা যাক, গ্লাসে সিরিঞ্জ দিয়ে চেক করে ১০০ মিলি পানি পাওয়া গেছিলো এবং অলংকার ডুবানোর পর ১০১.৫ মিলি পর্যন্ত পানির লেভেল উঠে গেলো। তার মানে ১.৫ মিলি হলো গোল্ডের ভলিউম।
সোনার ওজন বের করার সূত্র: 19.3 g/cm^3
= 1.5x19.3 ~ 28.95 গ্রাম
উল্লেখ্য এটা খাঁটি সোনার ওজন বের করতে ব্যবহার করা হতো ডিজিটাল মেশিন আসার পূর্বে। তবে ১৮, ২১, ২২ ক্যারেটের জন্য আলাদা সূত্র রয়েছে।
১৮ = 15.6 g/cm^3
২১ = 16.5
২২ = 17.5
নোট: সিরিঞ্জ দিয়ে ভালোমত মিলি গুণে নিতে হবে এবং সাবধানে ডুবাতে হবে।
যাদের হাতে অফুরন্ত সময় তারা বাসায় বসে টেস্ট করতে পারেন। যেহেতু অনভিজ্ঞ তাই ১৯/২০ হতে পারে। তবু জানা থাকলো একটা প্রসেস 🙂 ব্রিটিশরা এই নিয়মে পরিমাপ করতো।
সিস্টেসটা সেভ ও শেয়ার করে দিন। অনেকেই হয়ত গবেষণা শুরু করে দিতে পারে 🙂 🙂
গোল্ড ও সিলভার সংক্রান্ত খুঁটিনাটি জানতে পূর্বের পোস্টগুলি দেখুন। এবং ফলো করুন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.